সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট: মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি। যে মাটির চির মমতা আমার অঙ্গে মাখা যার নদী জল ফুলে ফুলে মোর স্বপ্ন আঁকা। যে দেশের নীল অম্বরে মন মেলছে পাখা সারাটি জনম সে মাটির টানে অস্ত্র ধরি। - গোবিন্দ হালদার ভূমিকা: বাঙ্গালির সুদীর্ঘকালের ইতিহাস থেকে জানা যায় সে জাতি হিসেবে চিরকালই বন্ধন অসহিষ্ণু। বাঙ্গালির প্রাকৃতিক পরিবেশেই আছে তার প্রতিবাদের ভাষা, পরের বশ্যতা সে কোনো কালেই মেনে নিতে পারে নি। তাই বারবার এখানে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে উঠছে। সে আগুনের শৌষবীর্য দীপ্ত হয়ে উঠছে। অবশেষে ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালি জাতি অর্জন করে তার প্রাণপ্রিয় স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক সেই মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিলো যে বোধ বা চেতনাকে কেন্দ্র করে তারই নাম মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। ত্রিশ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছি তাকে চির-সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের চেতরা প্রেরনা জোগাবে আবহমাল কাল। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি: ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনের জাঁকাকল...
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

যুব রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম কলেজ ইউনিট কর্তৃক আগামিকাল শুক্রবার সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হবে। আনন্দের খবর যে, এই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা যুব রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম কলেজ ইউনিটের প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ মিছবাহ উদ্দীন। উনি এই অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ নিজ খরচে করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আরো একটি আনন্দ বার্তা যে, মোহাম্মদ মিছবাহ উদ্দীন যে টাকাটা খরচ করছেন সেটি উনি কিছুদিন আগে ৪ দিন ব্যাপী FbF Project এ বাঁশখালীতে কাজ করার সযোগ পাই যার জন্য কিছু সম্মানি ভাতা পেয়েছেন জার্মান রেড ক্রস থেকে। সে টাকাটা সম্পূর্ণ উনি চট্টগ্রাম কলেজ ইউনিট কর্তৃক পরিচালিত সুবিধাবঞ্চিত শিশু নিকেতনের বাচ্চাদের জন্য দিয়ে দেন। মিছবাহ ভাইকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এমন একটা উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সুতরাং আমরাও এমন উদ্যোগ আগামিতে নিবো এই আশা রাখছি। ফাইল ছবি

মুশফিকের নাগিন ডেন্স না দেখলে মিস করবেন শ্রিলংকার সাথে জিতার পর

মাতৃভাষার গান

জীবনের গল্প : গরীব ঘরের এক শিক্ষার্থী

পবিত্র রমজান মাসে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে কলেজ বন্ধ দেওয়ায় ছেলে বাড়িতে আসে। বাড়িতে আসার পর ছেলে বাবাকে বলে যে, আব্বা আমার টাকা লাগবে, কত টাকা? ৫০০০ হাজার টাকা। কি করবি এত টাকা দিয়ে? ঈদের শপিং করবো। আব্বা আমার কথা শুনে আর কিছু না বলে,আমার হাতে ৫০০০টাকা তুলে দিলো। টাকা গুলি পেয়ে তো আমার আনন্দের সিমা নেই। এবার মন খুলে শপিং করতে পারবো। খুশিতে লুঙ্গি ড্যান্স দিলাম। তারপর টাকা গুলো লুকিয়ে রেখে চলে আসলাম বন্ধুদের আড্ডাতে। সবাইকে তো বলতে হবে,এবার এর ঈদের বাজেট টা। সবার থেকে এবার আমার ঈদের বাজেট বেশি, বন্ধুরাও সবাই বাহবা দিলো। সন্ধার আগে বাসায় ফিরলাম,ইফতার করে নামাজ পড়ে আর বাইরে বার হলাম না। শুয়ে শুয়ে ফেসবুকিং করছিলাম। এমন সময় পাশের রুমে থেকে বাবা মা এর চাপা কন্ঠ ভেসে আসলো কানে। <ওগো শুনছো? <হ্যা বলো। তুমি আকাশকে সব টাকা দিয়ে দিলে তো তুমি কি শপিং করবা আর ঈদের বাজার ও তো করতে হবে,কিছুই তো করা হয় নি। ৫০০০ টাকাই ছিলো। ছেলের কথাই সেটাও বার করে দিলে। <চিন্তা করো না,কারো কাছ থেকে ধার করে নিবো টাকা,আর আকাশ তো এখন কলেজে উঠেছে বড় লোক ছেলেদের সাথে তাকে মিশতে হয়। তাদের মতন না হল...

চকরিয়া উপজেলার বৃহত্তম ঘোনা (ডুলাহাজারা) "বহলতলী ঘোনা" এর নতুন পরিচালনা কমিটি গঠন

বহলতলী ঘোনার নতুন পরিচালনা কমিটি গঠন............. গতকাল ২০/০১/২০১৮ ইং শনিবার বহলতলী ষাট দ্রোইন্যা ঘোনার বার্ষিক সাধারণ সভা ডুলাহাজারা বাজারস্থ কার্যালয়ে অনুষ্টিত হয়। সভায় বিগত ২০১৭ সালের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব বিবরণী পেশ ও তা অনুমোদন করা হয়। সভায় শেয়ারদার কর্তৃক গঠিত ৭ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটির মতামতের ভিত্তিতে ২০১৮ সালের জন্য ১১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি গঠন করা হয়। তার মধ্যে ১ জন সভাপতি, ২ জন সহ-সভাপতি, ১ জন সাধারণ সম্পাদক, ১ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক, ১ জন কোষাধ্যক্ষ ও ৫ জন সদস্য।  পদবী অনুসারে নিম্নে নতুন পরিচালনা কমিটি এর নাম পদবীসহ উল্লেখ করা হলো- ১। সভাপতি:- জনাব আলহাজ্ব নুরুল কবির সওদাগর, ২। সহ-সভাপতি:- জনাব হাজী এয়াকুব সওদাগর, ৩। সহ-সভাপতি:- জনাব ফজলুল কাদের, ৪। সাধারণ সম্পাদক:- জনাব মোঃ রুহুল আমিন, ৫। সহ-সাধারণ সম্পাদক:- জনাব মনছুর আলম, ৬। কোষাধ্যক্ষ:- জনাব হাজী রেজাউল করিম বদন, ৭। সদস্য:- জনাব মোহাম্মদ ইউনুছ, ৮। সদস্য:- জনাব শফিউল আজম, ৯। সদস্য:- জনাব নুরুল আবছার মেম্বার, ১০। সদস্য:- জনাব জসিম উদ্দীন মেম্বার, ১১। সদস্য:- জনাব মোঃ শফিকুল আলম,

গর্ভবতী মায়ের খাদ্য ব্যবস্থাপনা - ডা. আলমগীর মতি MxN মডার্ণ হারবাল গ্রুপ

গর্ভবতী মায়ের খাদ্য ব্যবস্থাপনা    - ডা. আলমগীর মতি MxN মডার্ণ হারবাল গ্রুপ গর্ভাবস্থায় মা ও তার শিশুর সুস্থতার জন্য প্রয়োজন সমন্বিত খাদ্য ব্যবস্থা। গর্ভস্থ শিশুর সুস্থভাবে বেড়ে ওঠা নির্ভর করে মায়ের সঠিক খাদ্য ব্যবস্থার ওপর। একটি শিশু সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য মায়ের প্রতিদিন প্রায় ৩০০ ক্যালরি অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। এ ক্ষেত্রে কোন খাবার খেতে হবে এবং কোনটি খাওয়া যাবে না, তা জেনে রাখা প্রত্যেক গর্ভবতীর জন্য জরুরি। গ্রহণীয় ও বর্জনীয় খাদ্যের একটি তালিকা দেওয়া হলো- ♦ গ্রহণীয় খাদ্য ক্যালসিয়াম: ক্যালসিয়াম হাড় গঠন ছাড়াও গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দূর করে। গর্ভাবস্থায় এবং শিশু জন্মের পর প্রতিদিন ১ হাজার মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম খেতে হবে। এ জন্য নিয়মিত দুধ, ডিম, দই, সামুদ্রিক মাছ, বাদাম, পালংশাক, ব্রকলি, মাংস খেতে হবে। আয়রন জাতীয় খাদ্য: আয়রন জাতীয় খাবারের উৎস হচ্ছে- ডিমের কুসুম, ডাল, মাছ, কলিজা, মুরগির মাংস, ব্রকলি, পালংশাক, কুমড়া, সয়াবিন, মিষ্টিআলু, আঙুর, কমলা, তরমুজ, বাদাম ইত্যাদি। ভিটামিন-সি: গর্ভবতীর দিনে ৭০ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি প্রয়োজন। লেবু, ...